Bisswa Bangla

‘বাংলাদেশে একটা বড় খুন হয়েছিল, কাকে দিয়ে করিয়েছিলেন সবটাই জানি’ : মমতা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
২ জুন ২০২৬, ০৮:৩৬ পিএম
‘বাংলাদেশে একটা বড় খুন হয়েছিল, কাকে দিয়ে করিয়েছিলেন সবটাই জানি’ : মমতা
তৃণমূল কংগ্রেসের সভানেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

বিধানসভা নির্বাচনে পরাজয়ের পর প্রথম রাজনৈতিক কর্মসূচিতে অংশ নিয়ে বিস্ফোরক মন্তব্য করেছেন তৃণমূল কংগ্রেসের সভানেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কেন্দ্রের বিজেপি সরকারকে চাপে রাখতে রাজনৈতিক নাম না উল্লেখ করে বাংলাদেশের কোনো একটি আলোচিত খুনের ঘটনার ইঙ্গিত করে বিস্ফোরক দাবিটি করেন তিনি।

মঙ্গলবার (২ জুন) কলকাতার প্রাণকেন্দ্র ধর্মতলায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দাবি করেন, বাংলাদেশের ওই ঘটনার খুনিদের রাজ্য পুলিশের এসটিএফ গ্রেপ্তার করার পর কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহর ফোন পান তিনি। তাকে বলা হয়, এই বিষয়টি যেন বাইরে জানাজানি না হয়।

তৃণমূল কংগ্রেস নেত্রী বলেন, ‘বাংলাদেশ থেকে একটা বড় খুনিকে রাজ্য পুলিশের এসটিএফ গ্রেপ্তার করেছিল। যা নিয়ে বাংলাদেশে অনেক আন্দোলন হয়েছিল। অন্য দেশের কথা আমি বলছি না। আমার অধিকারও নেই বলার। কিন্তু আমি যেটা বলতে চাইছি তা হলো ওই হত্যাকারীরা মেঘালয় সীমান্ত দিয়ে পশ্চিমবঙ্গে চলে আসে। বাংলায় আসার পর আমাদের এসটিএফ তাদের ধরে। এইটা তাদের কৃতিত্ব।’
তিনি বলেন, ‘কিন্তু তারপর কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ নিজে আমাকে ফোন করে জানিয়েছিলেন, আপনি রাজ্য পুলিশকে জানিয়ে দিন এটা যেন বাইরে না যায়। কারণ এটা দেশের ব্যাপার।’
অমিত শাহকে উদ্দেশ্যে করে মমতা প্রশ্ন ছুড়ে বলেন, ‘কাকে দিয়ে খুন করিয়েছিলেন? কার কার নাম বেরিয়ে ছিল? আজকের সরকার পরিবর্তন হলেও আমি সবটাই জানি। আমার হৃদয়টাই একটা কথার ভান্ডার। তথ্য ভান্ডার।’ 
তিন বলেন, ‘এতদিন আমি বলিনি। কিন্তু আজকে অত্যাচারে শেষ সীমায় গেছে বলে আমাকে মুখ খুলতে হয়েছে। আমি সেই নামটা বলতে চাইছি না, বললে বাংলাদেশ উত্তাল হয়ে যাবে। আমি বাংলাদেশকে ভালোবাসি। দেশের স্বার্থে ওই নাম আমি বলব না।’ 
মিশনারি অব চারিটিস তহবিল বন্ধ করে দেওয়া নিয়েও এদিন সোচ্চার হয়েছেন মমতা। মূলত বিধানসভা নির্বাচনের পর নির্বাচনকে কেন্দ্র করে ভাঙ্গনের মুখে দাঁড়িয়ে আছে তৃণমূল কংগ্রেস। মোট ৮০ জন বিধায়কের মধ্যে ৬০ জনের বিদ্রোহী হিসেবে চিহ্নিত হয়েছেন। মঙ্গলবারেও মমতার ধর্না কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন মাত্র ছয়জন বিধায়ক। এমন অবস্থায় বিজেপিকে নিশানা করেছেন দলনেত্রী ও সাবেক মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
তার অভিযোগ, দিল্লি থেকে কলকাঠি নাড়িয়ে তৃণমূলকে ভেঙে দেওয়ার চক্রান্ত চলছে। বেআইনিভাবে পুলিশ দিয়ে আমাদের দলের বিধায়ক কাউন্সিলরদের ভয় দেখানো হচ্ছে। যদিও সেই প্রচেষ্টা কোনভাবেই সফল হবে না। 
কেন্দ্র সরকারকে লক্ষ্য করে মমতা বলেন, আমাকে কতবার বলা হয়েছিল, আপনি কি চান, সব কিছু দেব। কিন্তু আমাদের দলের একটা নীতি আছে। আদর্শ আছে। দর্শন আছে। আজকে আমার একটাই দুঃখ, যাদের জন্য সারা জীবন করেছি, তারাই আজ গাদ্দারের সঙ্গে লাইন দিয়েছে। যারা আজকে তৃণমূলকে ভাঙ্গার জন্য গাদ্দারি করছে, আমি বলব সবাইকে ভগবান যেন সুমতি দেন। যদি কোনদিন ভালো কাজ করে থাকি, সেটা মেনে চলবো।
এদিনের ধরনা কর্মসূচি শুরু করার আগে তিনি রেড রোডে অবস্থিত ভারতীয় সংবিধানের রচয়িতা বি আর আম্বেদকর এবং ভারতের জাতির জনক মহাত্মা গান্ধীর মূর্তিতে শ্রদ্ধা জানান। সেখান থেকে চলে আসেন ধর্মতলার ওয়াই চ্যানেলে। তবে তৃণমূল কংগ্রেসের দলীয় অফিসিয়াল ফেসবুক পেজ থেকে পোস্ট করে দলের নেতাকর্মীদের সমাবেশে যোগ দেওয়ার আহ্বান জানানো হলেও বিধায়ক ও সাংসদদের উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়নি। 
 
বিধানসভা নির্বাচনে পরাজয়ের পর প্রথম রাজনৈতিক কর্মসূচিতে অংশ নিয়ে বিস্ফোরক মন্তব্য করেছেন তৃণমূল কংগ্রেসের সভানেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কেন্দ্রের বিজেপি সরকারকে চাপে রাখতে রাজনৈতিক নাম না উল্লেখ করে বাংলাদেশের কোনো একটি আলোচিত খুনের ঘটনার ইঙ্গিত করে বিস্ফোরক দাবিটি করেন তিনি।
মঙ্গলবার (২ জুন) কলকাতার প্রাণকেন্দ্র ধর্মতলায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দাবি করেন, বাংলাদেশের ওই ঘটনার খুনিদের রাজ্য পুলিশের এসটিএফ গ্রেপ্তার করার পর কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহর ফোন পান তিনি। তাকে বলা হয়, এই বিষয়টি যেন বাইরে জানাজানি না হয়।
তৃণমূল কংগ্রেস নেত্রী বলেন, ‘বাংলাদেশ থেকে একটা বড় খুনিকে রাজ্য পুলিশের এসটিএফ গ্রেপ্তার করেছিল। যা নিয়ে বাংলাদেশে অনেক আন্দোলন হয়েছিল। অন্য দেশের কথা আমি বলছি না। আমার অধিকারও নেই বলার। কিন্তু আমি যেটা বলতে চাইছি তা হলো ওই হত্যাকারীরা মেঘালয় সীমান্ত দিয়ে পশ্চিমবঙ্গে চলে আসে। বাংলায় আসার পর আমাদের এসটিএফ তাদের ধরে। এইটা তাদের কৃতিত্ব।’
তিনি বলেন, ‘কিন্তু তারপর কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ নিজে আমাকে ফোন করে জানিয়েছিলেন, আপনি রাজ্য পুলিশকে জানিয়ে দিন এটা যেন বাইরে না যায়। কারণ এটা দেশের ব্যাপার।’
অমিত শাহকে উদ্দেশ্যে করে মমতা প্রশ্ন ছুড়ে বলেন, ‘কাকে দিয়ে খুন করিয়েছিলেন? কার কার নাম বেরিয়ে ছিল? আজকের সরকার পরিবর্তন হলেও আমি সবটাই জানি। আমার হৃদয়টাই একটা কথার ভান্ডার। তথ্য ভান্ডার।’ 
তিন বলেন, ‘এতদিন আমি বলিনি। কিন্তু আজকে অত্যাচারে শেষ সীমায় গেছে বলে আমাকে মুখ খুলতে হয়েছে। আমি সেই নামটা বলতে চাইছি না, বললে বাংলাদেশ উত্তাল হয়ে যাবে। আমি বাংলাদেশকে ভালোবাসি। দেশের স্বার্থে ওই নাম আমি বলব না।’ 
মিশনারি অব চারিটিস তহবিল বন্ধ করে দেওয়া নিয়েও এদিন সোচ্চার হয়েছেন মমতা। মূলত বিধানসভা নির্বাচনের পর নির্বাচনকে কেন্দ্র করে ভাঙ্গনের মুখে দাঁড়িয়ে আছে তৃণমূল কংগ্রেস। মোট ৮০ জন বিধায়কের মধ্যে ৬০ জনের বিদ্রোহী হিসেবে চিহ্নিত হয়েছেন। মঙ্গলবারেও মমতার ধর্না কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন মাত্র ছয়জন বিধায়ক। এমন অবস্থায় বিজেপিকে নিশানা করেছেন দলনেত্রী ও সাবেক মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
তার অভিযোগ, দিল্লি থেকে কলকাঠি নাড়িয়ে তৃণমূলকে ভেঙে দেওয়ার চক্রান্ত চলছে। বেআইনিভাবে পুলিশ দিয়ে আমাদের দলের বিধায়ক কাউন্সিলরদের ভয় দেখানো হচ্ছে। যদিও সেই প্রচেষ্টা কোনভাবেই সফল হবে না। 
কেন্দ্র সরকারকে লক্ষ্য করে মমতা বলেন, আমাকে কতবার বলা হয়েছিল, আপনি কি চান, সব কিছু দেব। কিন্তু আমাদের দলের একটা নীতি আছে। আদর্শ আছে। দর্শন আছে। আজকে আমার একটাই দুঃখ, যাদের জন্য সারা জীবন করেছি, তারাই আজ গাদ্দারের সঙ্গে লাইন দিয়েছে। যারা আজকে তৃণমূলকে ভাঙ্গার জন্য গাদ্দারি করছে, আমি বলব সবাইকে ভগবান যেন সুমতি দেন। যদি কোনদিন ভালো কাজ করে থাকি, সেটা মেনে চলবো।
এদিনের ধরনা কর্মসূচি শুরু করার আগে তিনি রেড রোডে অবস্থিত ভারতীয় সংবিধানের রচয়িতা বি আর আম্বেদকর এবং ভারতের জাতির জনক মহাত্মা গান্ধীর মূর্তিতে শ্রদ্ধা জানান। সেখান থেকে চলে আসেন ধর্মতলার ওয়াই চ্যানেলে। তবে তৃণমূল কংগ্রেসের দলীয় অফিসিয়াল ফেসবুক পেজ থেকে পোস্ট করে দলের নেতাকর্মীদের সমাবেশে যোগ দেওয়ার আহ্বান জানানো হলেও বিধায়ক ও সাংসদদের উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়নি। 

বিশ্ববাংলা ফলো করুন

আপডেট, ভিডিও ও ব্রেকিং নিউজ পেতে সামাজিক মাধ্যমে যুক্ত থাকুন।

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত

চেন্নাইয়ে লিভার ফেইলিউরে মারা গেলেন কনটেন্ট ক্রিয়েটর ও অভিনেত্রী কারিনা কায়সারস্বাধীনতার ৫০ বছরে বহু প্রত্যাশা পূরণ হয়নি: জামায়াত আমির ড. শফিকুর রহমানযুক্তরাষ্ট্রে আঘাতে সক্ষম পারমাণবিক ক্ষেপণাস্ত্র মোতায়েন করছে রাশিয়াইরানের ইউরেনিয়ামের কাছে গেলেই উড়িয়ে দেওয়া হবে: ট্রাম্পের হুঁশিয়ারিকাশিমপুর কারাগার থেকে জামিনে মুক্ত সাবেক এসপি ইমনমে দিবসের সমাবেশে প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান, স্বৈরাচার বিদায়ের পর দেশ গড়ার সময়ইউনিয়ন বিএনপির নেতা একাই গিলে খাচ্ছেন জনগণের সকল বরাদ্দ ও সুযোগ সুবিধাইরান যুদ্ধের আগুনে পুড়ছে এশিয়া, জ্বালানি সংকটে দিশেহারা কোটি মানুষ