
তিনি বলেন, আমরা শুধু আছি ভারতকে নিয়ে আর ভারত আছে আমাদের নিয়ে। বাংলাদেশের চারদিকে কিন্তু ভারত আছে। একটু বুঝে শুনে চললে খুব খারাপ হইতো না। তাদেরকে আমরা প্রভু মানবো না আবার আমরা মনিবও মানবো না। প্রয়োজনটা কিন্তু দুই দেশেরই সমান।
ফজলুর রহমান বলেন, আমরা কিন্তু হাজার হাজার বছর ধরে দুই বাংলায় এক ছিলাম। সেই বাংলা কেন ভাগ হইলো? কারা ভাগ করল? হিন্দু মুসলমান সাম্প্রদায়িক ধর্মের ভিত্তিতে ভাগ হয়ে গেল বাংলা। বঙ্গ, কলিঙ্গ, মগধ কত রূপে ডাকছি এই বাংলাকে। কোনো সময় রাজধানী ছিল গৌড়, কোনো সময় ছিল পান্ডুয়া, কোনো সময় ছিল সোনারগাঁও, সপ্তগ্রাম, কোনো সময় ছিল বিক্রমপুর। এরপরে আসলো ঢাকা, সেখান থেকে গেল মুর্শিদাবাদ, মুর্শিদাবাদ থেকে কলকাতা। কলকাতা হয়ে উঠলো সারা ভারতবর্ষের রাজধানী ১০০ বছর যাবত।
বিএনপির এ সংসদ সদস্য বলেন, এগুলো চিন্তা করার মতো না, তখন কিন্তু বাঙালিরাই সারা ভারতবর্ষকে শাসন করছে। যে কারণে গোখলে বলেছিল যে, বাংলা আজকে যা ভাবে, বাকি ভারতবর্ষ তার একদিন পরে তা চিন্তা করে।
ফজলুর রহমান বলেন, সেই বাংলা কেন ভাগ হইলো? কারা ধর্মের ভিত্তিতে বাংলাকে ভাগ করল? সেইটা ভাগ করলো গান্ধী আর জিন্নাহ। দুইজনের বাড়ি হলো গুজরাট। সেই গুজরাটের জিন্নাহ এবং গান্ধী এমনিতে শত্রু ছিল। কিন্তু বাংলাকে ভাগ করার জন্য তারা একমত ছিল। বাংলা ভাগ হয়ে গেল হিন্দু মুসলমান সাম্প্রদায়িক ধর্মের ভিত্তিতে।
বিশ্ববাংলা ফলো করুন
আপডেট, ভিডিও ও ব্রেকিং নিউজ পেতে সামাজিক মাধ্যমে যুক্ত থাকুন।
